জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'একজন জহুরুলের গল্প ও তার স্বপ্নের বিদ্যালয়'-'

একজন জহুরুলের গল্প ও তার স্বপ্নের বিদ্যালয়

গাইবান্ধা ডট নিউজ | সোমবার, ০৯ অক্টোবর, ২০১৭

খুরশিদ বিন আতা খসরু
২০১২ সালে মো.জহুরুল ইসলামের বয়স ছিল ১০ বছর। তখন দেশের আর দশটা বাচ্চার মতো তার হাতেও থাকার কথা ছিল বই, খাতা আর কলম। অন্যান্য বাচ্চাদের মতো সেই বয়সে তারও পড়ার কথা ছিল চতুর্থ বা পঞ্চম শ্রেণিতে। কিন্তু দুর্গম চরাঞ্চলে ৫-৬ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় দরিদ্র পিতা মাঝি মো. শাহ আলীর প্রবল ইচ্ছে থাকা সত্বেও কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছেলেকে ভর্তি করান সম্ভব হয়নি। তাই ২০১২ সালে বই, খাতা আর কলমের বদলে সংসারের আয় উপার্জনের লক্ষ্যে দরিদ্র পিতার সাথে যমুনার উত্তাল নদীতে মাছ ধরার জন্য জহুরুল হাতে তুলে নিতে বাধ্য হয় মাছ ধরার জাল আর নৌকার বৈঠা।

কিছু দিন পরেই এলাকাবসীর উদ্যোগে ২০১৩ সালে মাঝি মো. শাহ্ আলীর বাড়ি থেকে ২ কিলোমিটার দূরত্বে গড়ে ওঠে একটি বিদ্যালয়। তিঁনি জহুরুলকে নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ১১ বছর বয়সে ২০১৩ সালে জহুরুলকে তিঁনি সেই স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দেন। ২০১৭-তে এসে বর্তমানে জহুরুল সেই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির মেধাবি একজন ছাত্র। এখন আগামী পিএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়ে দরিদ্র পিতা-মাতার মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখছে জহুরুল।

বলছিলাম গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল খঞ্চাপাড়া চরের কথা। স্কুলের নাম ‘খঞ্চাপাড়া আনন্দলোক বিদ্যালয়’। শুধু একজন জহুরুল নয়, এরকম ১৭৭ জন জহুরুলের অলিখিত গল্প বুকে ধারণ করে দুর্গম এই চরে গর্বের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে চারশত পরিবারের স্বপ্নের বিদ্যাপীঠ- খঞ্চাপাড়া আনন্দলোক বিদ্যালয়।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগী শহিদ আলী শেখের দানকৃত ৬৬ শতক জমির ওপরে নেটজ বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালনায় ২০১৩ সালের ১লা জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এই বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়ের ছিমছাম পরিপাটি সবুজ টিনের চারটি কক্ষের একটি কক্ষ অফিস-রুমের জন্য ও বাকি তিনটি কক্ষ ক্লাস-রুমের জন্য ব্যবহার করা হয়। মোট দুই শিফটে চলে স্কুল। শিশু শ্রেণি, প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি চলে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত আর দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট থেকে বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস। মোট তিনজন শিক্ষকের মধ্যে দু'জন পুরুষ ও একজন নারী শিক্ষিকা। এছাড়াও বিদ্যালয়ের আনুসাঙ্গিক কাজ সম্পাদনের জন্য নিয়োগ করা আছে একজন আয়া এবং সামনের পিএসসি পরীক্ষায় যাতে ভালো ফলাফল হয় এ উদ্দেশ্যে সম্প্রতি একজন খন্ডকালীন শিক্ষকও নিয়োগ করা হয়েছে ।

এখন সন্ধ্যা নামলেই খঞ্চাপাড়া চরে দেখার মতো এক নতুন দৃশ্যের অবতারণা হয়। এক হাতে লন্ঠন আর এক হাতে বই-খাতা নিয়ে পিএসসি পরীক্ষার্থীরা একে একে ছুটতে থাকে বিদ্যালয়ের দিকে। সন্ধ্যা বেলায় লন্ঠন হাতে বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার এই দৃশ্য খঞ্চাপাড়াবাসীর কাছে একেবারেই নতুন। সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলে পিএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রস্তুতি। পড়া শেষে যাদের বাড়ি এক বা দেড় কিলোমিটারের মধ্যে তারা রাতের অন্ধকার ভেদ করে তেল ফুরিয়ে আসা লন্ঠনের টিমটিম করা মৃদু আলোয় চরের দুর্গম পথকে অতিক্রম করে বাড়ি ফেরে; আর যাদের বাড়ি কিছুটা দূরে, তারা বাটি বা ছোট গামলায় নিয়ে আসা রাতের খাবার খেয়ে আলো ও ফ্যানবিহীন স্কুলের বেঞ্চ বা মেঝেতে ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয় বাকি রাত।

খঞ্চাপাড়া আনন্দলোক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘এবার ২৪ জন পরীক্ষার্থী আমাদের স্কুল থেকে পিএসসি পরীক্ষা দেবে। আমরা যেভাবে তাদেরকে প্রস্তুত করছি তাতে আমরা আশাবাদী ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ফাইভ পাবে এবং পাশের হার থাকবে শতকরা একশ ভাগ।’

এই আশার বাণীর পাশাপশি আছে একটি নিরাশার বাণীও। এই দুর্গম চরটিতে কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। পঞ্চম শ্রেণি পাশ করে এই শিক্ষার্থীগুলো যদি কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায় তবে তাদেরকে যেতে হবে ৮ কিলোমিটার দূরের জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মন্নিয়ার চরে বা ৯-১০ কিলোমিটার দূরের গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা বা ফুলছড়ি উপজেলায়। এই দুর্গম বালুচরের পথ অথবা স্কুলের টাইমের সাথে তাল ঠিক না থাকা নৌকোর-সময় হয়তো বা তাদের জীবনে হাই স্কুলে ভর্তি হবার প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। জহুরুল হয়তো বা পঞ্চম শ্রেণি পাশ করবে ঠিকই, কিন্তু জীবনের প্রয়োজনে দরিদ্রতার কাছে হার মেনে বাস্তবতার কশাঘাতে তাকে আবার বই ফেলে হাতে তুলে নিতে হবে মাছ ধরার জাল আর নৌকার বৈঠা।

এটা শুধু একজন জহুরুলের গল্প নয় এটা গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার পুরো খঞ্চাপাড়ার গল্প।

এই অবস্থা উত্তরণে স্থানীয়দের কণ্ঠে ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবো রে, আমরা ক’জন নবীন মাঝি হাল ধরেছি শক্ত করে রে।’-গানের মতো শক্তি এবং সাহস থাকলেও স্থানীয়দের অগ্রণী ভূমিকার পাশাপাশি প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা এবং এগিয়ে আসা উচিত দেশের সামর্থ্যবান সচেতন নাগরিকদের।

লেখক: খুরশিদ বিন আতা খসরু, সম্পাদক ও প্রকাশক: আলোকিত গাইবান্ধা।

 



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

খুরশিদ বিন আতা খসরু
২০১২ সালে মো.জহুরুল ইসলামের বয়স ছিল ১০ বছর। তখন দেশের আর দশটা বাচ্চার মতো তার হাতেও থাকার কথা ছিল বই, খাতা আর কলম। অন্যান্য বাচ্চাদের মতো সেই বয়সে তারও পড়ার কথা ছিল চতুর্থ বা পঞ্চম শ্রেণিতে। কিন্তু দুর্গম চরাঞ্চলে ৫-৬ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় দরিদ্র পিতা মাঝি মো. শাহ আলীর প্রবল ইচ্ছে থাকা সত্বেও কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছেলেকে ভর্তি করান সম্ভব হয়নি। তাই ২০১২ সালে বই, খাতা আর কলমের বদলে সংসারের আয় উপার্জনের লক্ষ্যে দরিদ্র পিতার সাথে যমুনার উত্তাল নদীতে মাছ ধরার জন্য জহুরুল হাতে তুলে নিতে বাধ্য হয় মাছ ধরার জাল আর নৌকার বৈঠা।

কিছু দিন পরেই এলাকাবসীর উদ্যোগে ২০১৩ সালে মাঝি মো. শাহ্ আলীর বাড়ি থেকে ২ কিলোমিটার দূরত্বে গড়ে ওঠে একটি বিদ্যালয়। তিঁনি জহুরুলকে নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ১১ বছর বয়সে ২০১৩ সালে জহুরুলকে তিঁনি সেই স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দেন। ২০১৭-তে এসে বর্তমানে জহুরুল সেই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির মেধাবি একজন ছাত্র। এখন আগামী পিএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়ে দরিদ্র পিতা-মাতার মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখছে জহুরুল।

বলছিলাম গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল খঞ্চাপাড়া চরের কথা। স্কুলের নাম ‘খঞ্চাপাড়া আনন্দলোক বিদ্যালয়’। শুধু একজন জহুরুল নয়, এরকম ১৭৭ জন জহুরুলের অলিখিত গল্প বুকে ধারণ করে দুর্গম এই চরে গর্বের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে চারশত পরিবারের স্বপ্নের বিদ্যাপীঠ- খঞ্চাপাড়া আনন্দলোক বিদ্যালয়।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগী শহিদ আলী শেখের দানকৃত ৬৬ শতক জমির ওপরে নেটজ বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালনায় ২০১৩ সালের ১লা জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এই বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়ের ছিমছাম পরিপাটি সবুজ টিনের চারটি কক্ষের একটি কক্ষ অফিস-রুমের জন্য ও বাকি তিনটি কক্ষ ক্লাস-রুমের জন্য ব্যবহার করা হয়। মোট দুই শিফটে চলে স্কুল। শিশু শ্রেণি, প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি চলে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত আর দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট থেকে বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস। মোট তিনজন শিক্ষকের মধ্যে দু'জন পুরুষ ও একজন নারী শিক্ষিকা। এছাড়াও বিদ্যালয়ের আনুসাঙ্গিক কাজ সম্পাদনের জন্য নিয়োগ করা আছে একজন আয়া এবং সামনের পিএসসি পরীক্ষায় যাতে ভালো ফলাফল হয় এ উদ্দেশ্যে সম্প্রতি একজন খন্ডকালীন শিক্ষকও নিয়োগ করা হয়েছে ।

এখন সন্ধ্যা নামলেই খঞ্চাপাড়া চরে দেখার মতো এক নতুন দৃশ্যের অবতারণা হয়। এক হাতে লন্ঠন আর এক হাতে বই-খাতা নিয়ে পিএসসি পরীক্ষার্থীরা একে একে ছুটতে থাকে বিদ্যালয়ের দিকে। সন্ধ্যা বেলায় লন্ঠন হাতে বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার এই দৃশ্য খঞ্চাপাড়াবাসীর কাছে একেবারেই নতুন। সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলে পিএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রস্তুতি। পড়া শেষে যাদের বাড়ি এক বা দেড় কিলোমিটারের মধ্যে তারা রাতের অন্ধকার ভেদ করে তেল ফুরিয়ে আসা লন্ঠনের টিমটিম করা মৃদু আলোয় চরের দুর্গম পথকে অতিক্রম করে বাড়ি ফেরে; আর যাদের বাড়ি কিছুটা দূরে, তারা বাটি বা ছোট গামলায় নিয়ে আসা রাতের খাবার খেয়ে আলো ও ফ্যানবিহীন স্কুলের বেঞ্চ বা মেঝেতে ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয় বাকি রাত।

খঞ্চাপাড়া আনন্দলোক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘এবার ২৪ জন পরীক্ষার্থী আমাদের স্কুল থেকে পিএসসি পরীক্ষা দেবে। আমরা যেভাবে তাদেরকে প্রস্তুত করছি তাতে আমরা আশাবাদী ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ফাইভ পাবে এবং পাশের হার থাকবে শতকরা একশ ভাগ।’

এই আশার বাণীর পাশাপশি আছে একটি নিরাশার বাণীও। এই দুর্গম চরটিতে কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। পঞ্চম শ্রেণি পাশ করে এই শিক্ষার্থীগুলো যদি কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায় তবে তাদেরকে যেতে হবে ৮ কিলোমিটার দূরের জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মন্নিয়ার চরে বা ৯-১০ কিলোমিটার দূরের গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা বা ফুলছড়ি উপজেলায়। এই দুর্গম বালুচরের পথ অথবা স্কুলের টাইমের সাথে তাল ঠিক না থাকা নৌকোর-সময় হয়তো বা তাদের জীবনে হাই স্কুলে ভর্তি হবার প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। জহুরুল হয়তো বা পঞ্চম শ্রেণি পাশ করবে ঠিকই, কিন্তু জীবনের প্রয়োজনে দরিদ্রতার কাছে হার মেনে বাস্তবতার কশাঘাতে তাকে আবার বই ফেলে হাতে তুলে নিতে হবে মাছ ধরার জাল আর নৌকার বৈঠা।

এটা শুধু একজন জহুরুলের গল্প নয় এটা গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার পুরো খঞ্চাপাড়ার গল্প।

এই অবস্থা উত্তরণে স্থানীয়দের কণ্ঠে ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবো রে, আমরা ক’জন নবীন মাঝি হাল ধরেছি শক্ত করে রে।’-গানের মতো শক্তি এবং সাহস থাকলেও স্থানীয়দের অগ্রণী ভূমিকার পাশাপাশি প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা এবং এগিয়ে আসা উচিত দেশের সামর্থ্যবান সচেতন নাগরিকদের।

 



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2019 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com