জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'সুন্দরগঞ্জের সেনপাড়ায় চলছে কুমড়ো বড়া তৈরির ধুম'-'

সুন্দরগঞ্জের সেনপাড়ায় চলছে কুমড়ো বড়া তৈরির ধুম

গাইবান্ধা ডট নিউজ | সোমবার ০২ ডিসেম্বর ২০১৯

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা):

রাত তিনটায় জেগে ওঠে পাড়া। বাড়ির মহিলাদের টেঁকির শব্দে মুখরিত হয় গ্রাম। মাষ কলাই টেঁকিতে কিংবা জাতায় পিষে গুড়ো করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে পরিবারের সকলে। কেউবা চাল গুড়ো করায় ব্যস্ত। ভোরের আলো ফোঁটার আগেই শুরু হয় তাদের কর্মব্যস্ততা। গ্রামটি হলো উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা (সেনপাড়া) গ্রাম। গ্রামটি জুড়ে প্রায় ১’শ হিন্দু পরিবারের বসবাস। সে কারণে হিন্দু পাড়া নামেও বেশ পরিচিতি রয়েছে গ্রামটির। গ্রামের শতাধিক পরিবার এভাবেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে ডালের বড়া তৈরির কাজে।

শীতকাল শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সেনপাড়ার প্রতিটি বাড়িতে চোখে পড়বে ডালের বড়া তৈরির এ দৃশ্য। শীতকালে সবজির সঙ্গে মুখরোচক খাবার হলো ডালের বড়া। স্থানীয়ভাবে এটিকে বলা হয় কুমড়ো বড়া। সারাবছর এর কদর থাকলেও শীতকালে চাহিদা বেড়ে যায় দ্বিগুণ। তাই এখন সেনপাড়াতে চলছে কুমুড় বড়া তৈরির ধুম। সেনপাড়ার শতাধিক হিন্দু পরিবারের বর্তমান আয়ের প্রধান উৎস এই বড়া বিক্রি।

বড়া তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে মাশকলাই (ডাল)। মূলত বড়া তৈরির জন্য মাশকলাইয়ের সঙ্গে চালের আটা মিশিয়ে বড়া তৈরি করতে হয়। শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে বড়া বানানোর কাজে লেগে যায় সেনপাড়ার শতাধিক হিন্দু পরিবারের সকল নারী-পুরুষ। বাদ থাকে না বাড়ির ছেলে-মেয়েরাও। সবাই লেগে যায় বড়া তৈরির কাজে। সারারাত বালতি বা বড় পাতিলে মাষকলাই পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর ঢেঁকি কিংবা জাতা পিষে গুড়ো করেন তাঁরা। পরে তা চালের আটার সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট গুটি করতে হয়। এসব গুটি পাতলা কাপড় অথবা টিনের উপরে রেখে রোদের তাপে শুকাতে হয়। রোদ ভালো হলে দুই দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয় বড়া। বারো মাস বড়া তৈরি করে হাট-বাজারে বিক্রি করে সংসারের চাকা সচল রাখে পরিবারগুলো। তবে শীত শুরু হওয়ায় বাজারে বড়ার চাহিদা বেড়ে যায় বহুগুন। এ কারণে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বড়া তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে পরিবারগুলো।

প্রতি কেজি বড়া তৈরি করতে খরচ পরে ১১০-১২০ টাকা পর্যন্ত। শীত মৌসুমে বড়া বিক্রি করে ভালোই চলে সংসার। তবে ভালোমানের বড়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা আর একটু কম মানের বড়া ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। সেনপাড়ার তৈরি এসব বড়া স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও গাইবান্ধা জেলা ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হয়।

সেনপাড়ার বড়া ব্যবসায়ী বিধান চন্দ্র সেন জানান, ডালের বড়া তৈরি এবং বিক্রির ব্যবসা করে শীতকালে আমাদের ঘরে মোটামুটি একটা আয় আসে। বাজারে ডালের বড়ার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আশপাশের অনেক এলাকা থেকে বহু মানুষ আমাদের বাজার থেকে এসব বড়া কিনে নিয়ে যায়।

রুপেন চন্দ্র সেন বলেন, বাজারে আমাদের বড়ার যে চাহিদা রয়েছে তা অন্য সময়ের চেয়ে এখন অনেক গুনে বেশি। তাই এই সময়ে স্ত্রী-ছেলেমেয়েদের নিয়ে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কিন্তু পায়ে ঢেকিঁ পার দিয়ে তা মেটানো সম্ভব হয় না।

আরেক ব্যবসায়ী সুভাষ চন্দ্র সেন বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ কেজি বড়া তৈরি করি। তা স্থানীয় বাজার ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হয়। তবে, মষ কলাইয়ের দাম আগের থেকে অনেক বেড়ে যাওয়ায় খুব একটা লাভ হয় না।

মল্লিকা নামের আরেক নারী বলেন, প্রতিদিন গভীর রাতে উঠে ঢেকিঁতে কলাই গুড়ো করতে হয়। এতে পরিশ্রম বেশি হয়। তাঁর দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যেমে কলাই গুড়ো ও মিশ্রণের যন্ত্র দিয়ে সরকারি সহায়তা করলে শৈল্পিক এ পেশা টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জান সরকার জানান, বড়ার অন্যতম উপাদান হলো মাশকলাই। আর মাশকলাইয়ে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। সবজি জাতীয় খাবারের পাশাপাশি শিশুদের ডালের বড়া খাওয়ালে শিশুর দেহ গঠনে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা):

রাত তিনটায় জেগে ওঠে পাড়া। বাড়ির মহিলাদের টেঁকির শব্দে মুখরিত হয় গ্রাম। মাষ কলাই টেঁকিতে কিংবা জাতায় পিষে গুড়ো করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে পরিবারের সকলে। কেউবা চাল গুড়ো করায় ব্যস্ত। ভোরের আলো ফোঁটার আগেই শুরু হয় তাদের কর্মব্যস্ততা। গ্রামটি হলো উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা (সেনপাড়া) গ্রাম। গ্রামটি জুড়ে প্রায় ১’শ হিন্দু পরিবারের বসবাস। সে কারণে হিন্দু পাড়া নামেও বেশ পরিচিতি রয়েছে গ্রামটির। গ্রামের শতাধিক পরিবার এভাবেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে ডালের বড়া তৈরির কাজে।

শীতকাল শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সেনপাড়ার প্রতিটি বাড়িতে চোখে পড়বে ডালের বড়া তৈরির এ দৃশ্য। শীতকালে সবজির সঙ্গে মুখরোচক খাবার হলো ডালের বড়া। স্থানীয়ভাবে এটিকে বলা হয় কুমড়ো বড়া। সারাবছর এর কদর থাকলেও শীতকালে চাহিদা বেড়ে যায় দ্বিগুণ। তাই এখন সেনপাড়াতে চলছে কুমুড় বড়া তৈরির ধুম। সেনপাড়ার শতাধিক হিন্দু পরিবারের বর্তমান আয়ের প্রধান উৎস এই বড়া বিক্রি।

বড়া তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে মাশকলাই (ডাল)। মূলত বড়া তৈরির জন্য মাশকলাইয়ের সঙ্গে চালের আটা মিশিয়ে বড়া তৈরি করতে হয়। শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে বড়া বানানোর কাজে লেগে যায় সেনপাড়ার শতাধিক হিন্দু পরিবারের সকল নারী-পুরুষ। বাদ থাকে না বাড়ির ছেলে-মেয়েরাও। সবাই লেগে যায় বড়া তৈরির কাজে। সারারাত বালতি বা বড় পাতিলে মাষকলাই পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর ঢেঁকি কিংবা জাতা পিষে গুড়ো করেন তাঁরা। পরে তা চালের আটার সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট গুটি করতে হয়। এসব গুটি পাতলা কাপড় অথবা টিনের উপরে রেখে রোদের তাপে শুকাতে হয়। রোদ ভালো হলে দুই দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয় বড়া। বারো মাস বড়া তৈরি করে হাট-বাজারে বিক্রি করে সংসারের চাকা সচল রাখে পরিবারগুলো। তবে শীত শুরু হওয়ায় বাজারে বড়ার চাহিদা বেড়ে যায় বহুগুন। এ কারণে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বড়া তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে পরিবারগুলো।

প্রতি কেজি বড়া তৈরি করতে খরচ পরে ১১০-১২০ টাকা পর্যন্ত। শীত মৌসুমে বড়া বিক্রি করে ভালোই চলে সংসার। তবে ভালোমানের বড়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা আর একটু কম মানের বড়া ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। সেনপাড়ার তৈরি এসব বড়া স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও গাইবান্ধা জেলা ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হয়।

সেনপাড়ার বড়া ব্যবসায়ী বিধান চন্দ্র সেন জানান, ডালের বড়া তৈরি এবং বিক্রির ব্যবসা করে শীতকালে আমাদের ঘরে মোটামুটি একটা আয় আসে। বাজারে ডালের বড়ার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আশপাশের অনেক এলাকা থেকে বহু মানুষ আমাদের বাজার থেকে এসব বড়া কিনে নিয়ে যায়।

রুপেন চন্দ্র সেন বলেন, বাজারে আমাদের বড়ার যে চাহিদা রয়েছে তা অন্য সময়ের চেয়ে এখন অনেক গুনে বেশি। তাই এই সময়ে স্ত্রী-ছেলেমেয়েদের নিয়ে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কিন্তু পায়ে ঢেকিঁ পার দিয়ে তা মেটানো সম্ভব হয় না।

আরেক ব্যবসায়ী সুভাষ চন্দ্র সেন বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ কেজি বড়া তৈরি করি। তা স্থানীয় বাজার ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হয়। তবে, মষ কলাইয়ের দাম আগের থেকে অনেক বেড়ে যাওয়ায় খুব একটা লাভ হয় না।

মল্লিকা নামের আরেক নারী বলেন, প্রতিদিন গভীর রাতে উঠে ঢেকিঁতে কলাই গুড়ো করতে হয়। এতে পরিশ্রম বেশি হয়। তাঁর দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যেমে কলাই গুড়ো ও মিশ্রণের যন্ত্র দিয়ে সরকারি সহায়তা করলে শৈল্পিক এ পেশা টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জান সরকার জানান, বড়ার অন্যতম উপাদান হলো মাশকলাই। আর মাশকলাইয়ে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। সবজি জাতীয় খাবারের পাশাপাশি শিশুদের ডালের বড়া খাওয়ালে শিশুর দেহ গঠনে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2019 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com