জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'স্মারক একাত্তর: গাইবান্ধার স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ'-'

স্মারক একাত্তর: গাইবান্ধার স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ

গাইবান্ধা ডট নিউজ | সোমবার ০২ ডিসেম্বর ২০১৯

জহুরুল কাইয়ুম:

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গাইবান্ধা ডট নিউজ এর বিশেষ আয়োজন ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে ৭১র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গাইবান্ধার নানা ঘটনার স্মৃতিচারন - হৃদয়ে একাত্তর

গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্কের যে প্রাঙ্গণে একাত্তরের ২৩ মার্চ পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে ফেলে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয় সেখানেই এখন সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।

১৯৯৪ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের এক সভায় প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঐ সভায় ভাষাসৈনিক মতিউর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আবু তালেব মিয়া ও মোহাম্মদ খালেদকে যুগ্ম আহবায়ক করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটির অধীনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে আহবায়ক এবং মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহাজাদা, সাংস্কৃতিক কর্মী সন্জীবন কুমার, খোন্দকার নিপন ও ময়নুল ইসলাম পলকে সদস্য করে নক্শা প্রণয়ন উপকমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি নির্মাণ কাজের উদ্যোগ না নেয়ায় ১৯৯৫ সালের ৬ নভেম্বর এক সভায় মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদাকে আহবায়ক ও রাজনীতিক আবুবকর সিদ্দিককে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য। এ কমিটির উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও পরে মূল কাজের কোন অগ্রগতি হয়নি।

২০০২ সালে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের উদ্যোগে আবারও স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। জেলার তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের অনুপ্রেরণায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুদেব চন্দ্র সরকার স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গাইবান্ধা জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০০২-০৩ অর্থবছরে ৫ লাখ এবং ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০০৩ সালের ১৫ মার্চ জাতীয় সংসদের হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

স্বাধীনতাযুদ্ধের এ স্মৃতিস্তম্ভ¢টির প্রাথমিক নক্শাটি প্রণয়ন করেন সাংস্কৃতিক কর্মী সন্জীবন কুমার। আর চূড়ান্ত ডিজাইন ও ম্যুরালের কাজ করেছেন ভাস্কর শাহ্ মাইনুল ইসলাম শিল্পু ও অরুময় বিশ্বাস। স্মৃতিস্তম্ভ¢টির নক্শায় রয়েছে আমাদের প্রাণের জাতীয় পতাকা, সাড়ে সাত কোটি মানুষের সংগ্রামী হাতের প্রতীক দুটি হাত, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রের প্রতীক দুটি অস্ত্র, ১১টি সেক্টরকে বুঝাতে ১১টি সিঁড়ি। পিছনের স্তম্ভে স্বাধীনতার লাল সূর্যের পাশাপাশি ৯ মাসব্যাপী যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে ৯টি ধাপের ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও স্মৃতিস্তম্ভের মুখোমুখি একটি দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা এবং দুই পাশে বিভিন্ন ধরণের পুষ্পরাজি ও বৃক্ষাদির মাধ্যমে স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরের সৌন্দর্য্য বর্দ্ধন করা হয়েছে। পৌরপার্ক থেকে আলাদা করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরকে। প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য রয়েছে দুটি ভিন্ন ভিন্ন পথ।

২০০৪ সালের ২৪ এপ্রিল স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ¢টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম। জেলা পরিষদের অর্থায়নে স্মৃতিস্তম্ভ¢টি নির্মিত হলেও বর্তমানে এটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করছে গাইবান্ধা পৌরসভা।

- জহুরুল কাইয়ুম, সম্পাদক-হৃদয়ে একাত্তর, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

জহুরুল কাইয়ুম:

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গাইবান্ধা ডট নিউজ এর বিশেষ আয়োজন ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে ৭১র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গাইবান্ধার নানা ঘটনার স্মৃতিচারন - হৃদয়ে একাত্তর

গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্কের যে প্রাঙ্গণে একাত্তরের ২৩ মার্চ পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে ফেলে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয় সেখানেই এখন সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।

১৯৯৪ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের এক সভায় প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঐ সভায় ভাষাসৈনিক মতিউর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আবু তালেব মিয়া ও মোহাম্মদ খালেদকে যুগ্ম আহবায়ক করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটির অধীনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে আহবায়ক এবং মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহাজাদা, সাংস্কৃতিক কর্মী সন্জীবন কুমার, খোন্দকার নিপন ও ময়নুল ইসলাম পলকে সদস্য করে নক্শা প্রণয়ন উপকমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি নির্মাণ কাজের উদ্যোগ না নেয়ায় ১৯৯৫ সালের ৬ নভেম্বর এক সভায় মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদাকে আহবায়ক ও রাজনীতিক আবুবকর সিদ্দিককে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য। এ কমিটির উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও পরে মূল কাজের কোন অগ্রগতি হয়নি।

২০০২ সালে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের উদ্যোগে আবারও স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। জেলার তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের অনুপ্রেরণায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুদেব চন্দ্র সরকার স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গাইবান্ধা জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০০২-০৩ অর্থবছরে ৫ লাখ এবং ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০০৩ সালের ১৫ মার্চ জাতীয় সংসদের হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

স্বাধীনতাযুদ্ধের এ স্মৃতিস্তম্ভ¢টির প্রাথমিক নক্শাটি প্রণয়ন করেন সাংস্কৃতিক কর্মী সন্জীবন কুমার। আর চূড়ান্ত ডিজাইন ও ম্যুরালের কাজ করেছেন ভাস্কর শাহ্ মাইনুল ইসলাম শিল্পু ও অরুময় বিশ্বাস। স্মৃতিস্তম্ভ¢টির নক্শায় রয়েছে আমাদের প্রাণের জাতীয় পতাকা, সাড়ে সাত কোটি মানুষের সংগ্রামী হাতের প্রতীক দুটি হাত, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রের প্রতীক দুটি অস্ত্র, ১১টি সেক্টরকে বুঝাতে ১১টি সিঁড়ি। পিছনের স্তম্ভে স্বাধীনতার লাল সূর্যের পাশাপাশি ৯ মাসব্যাপী যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে ৯টি ধাপের ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও স্মৃতিস্তম্ভের মুখোমুখি একটি দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা এবং দুই পাশে বিভিন্ন ধরণের পুষ্পরাজি ও বৃক্ষাদির মাধ্যমে স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরের সৌন্দর্য্য বর্দ্ধন করা হয়েছে। পৌরপার্ক থেকে আলাদা করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরকে। প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য রয়েছে দুটি ভিন্ন ভিন্ন পথ।

২০০৪ সালের ২৪ এপ্রিল স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ¢টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম। জেলা পরিষদের অর্থায়নে স্মৃতিস্তম্ভ¢টি নির্মিত হলেও বর্তমানে এটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করছে গাইবান্ধা পৌরসভা।

- জহুরুল কাইয়ুম, সম্পাদক-হৃদয়ে একাত্তর, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2019 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com