জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'এমপি লিটন হত্যা : ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামি কার কী দায়? '-'

এমপি লিটন হত্যা : ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামি কার কী দায়?

গাইবান্ধা ডট নিউজ | রবিবার ০১ ডিসেম্বর ২০১৯

জিল্লুর রহমান পলাশ, গাইবান্ধা :

প্রায় তিন বছর আগে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। দ-প্রাপ্ত আসামি চন্দন কুমার পলাতক (ভারত) রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত আসামি কসাই সুবল কারাগারে অসুস্থ্যর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

বহুল আলোচিত এই মামলায় বিচার কার্যক্রম শুরুর দেড় বছরের মাথায় বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে রায় ঘোষণা করেন গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক। নৃশংস এই হত্যাকা-ের ঘটনায় অস্ত্র আইনে করা অপর মামলায় রায় হয়েছে গত ১১ জুন। রায়ে একমাত্র আসামি সাবেক এমপি (অব:) কর্ণেল আবদুল কাদের খাঁনকে যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দেয় আদালত।

ফাঁসির দ-প্রাপ্ত সাত আসামির বিরুদ্ধে যেসব ভূমিকা ও দায় ছিলো তা সাক্ষী, তথ্য-প্রমাণ এবং প্রত্যেকের জবানবন্দি পর্যালোচনা করেই দ-বিধির ১২০-বি এবং ৩০২/৩৪ ধারায় দ-নীয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তক্রমে রায় দিয়েছেন আদালত। ঠা-া মাথায় পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, রেকি করা, সহযোগিতা ও বাস্তবায়ন পর্যন্ত দ-প্রাপ্ত আসামিরা পরস্পর সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে এই হত্যাকা- সংঘঠিত হয়েছে বলে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্র ও আদালতে বিচার কার্যক্রম অনুসারে দ-প্রাপ্ত ৭ জনের কার কি ভূমিকা, অভিযোগের ধরণ-দায় ও পরিচয় উল্লেখ করা হলো ;

১. কর্ণেল (অব:) আবদুল কাদের খঁন :
এমপি লিটন হত্যকা-ের মূল পরিকল্পনাকারী আবদুল কাদের খাঁন। রাজনৈতিক কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার ও এমপি হওয়া এবং উচ্চভিলাষ ক্ষমতার মোহেই লিটনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন কাদের খাঁন। হত্যাকা-ে অংশ নেয়া কিলারদের অর্থ সহায়তা ও নানা প্রলোভন দেখান তিনি। কিলারদের এক বছর ধরে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ঠা-া মাথায় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারীতে লিটনকে হত্যার পরিকল্পনা তৈরী করেন তিনি। ঢাকা থেকে গাইবান্ধা আসার পথে গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে লিটনকে হত্যা এবং বামনডাঙ্গার দলীয় অফিসের টয়লেটে গেলে গুলি করাসহ তিনটি পরিকল্পনা করলেও নিজেদের মতানৈক্য না হওয়ায় তা ভেস্তে যায়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের শুরুতে নিজ বাড়িতেই গুলি করে হত্যার নতুন ছক কষেন কাদের খাঁন। শুধু এমপি লিটন নয়, নিজ এলাকার প্রতিদ্বন্দি সরিয়ে দিতে আরও স্থানীয় কয়েকজনকে হত্যার জন্য টার্গেট করা হয়। টার্গেটের এক নম্বরেই ছিলেন এমপি লিটন।

আলোচিত এই হত্যাকা-ের ৫২ দিনের মাথায় বগুড়া বাসায় পাঁচদিন নজরদারীতে রাখার পর ২১ ফেব্রুয়ারী তাকে গ্রেফতার পরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। পরে ১০ দিনের রিমা- শেষ হওয়ার আগেই আদালতে হত্যার দায় ও সব পরিকল্পনা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় কাদের খাঁন।

২. রাশেদুল ইসলাম ওরফে মেহেদী হাসান :
মেহেদী হাসান (২৬) সুন্দরগঞ্জের উত্তর সমস কবিরাজপাড়ার আবদুল করিমের ছেলে। মেহেদি হাসান প্রধান আসামি আবদুল কাদের খাঁনের সম্পর্কে ভাতিজা। হত্যা মিশনে অংশ নেয়া প্রশিক্ষিত চার কিলারের মধ্যে মেহেদি প্রধান ছিলো। সিন্ধান্ত ও পরিকল্পনা অনুযায়ী এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যা নিশ্চিতের দায়িত্ব ছিলো মেহেদীর। হত্যা বাস্তবায়নে দুটি মোটরসাইকেলে করে লিটনের বাড়ি পৌঁছায় মেহেদী, শাহীন, রানা ও হান্নান। শাহীন ও রানা বাড়ির উঠানের ’লিটনের বেঠকখানা’ গিয়ে পরিচয় দিয়ে কথা বলতে থাকেন। এসময় মেহেদি বৈঠক খানার দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাদের দুইজনের কথা বলার সময় ঘরে ঢুকেই ছালাম দিয়ে বিছানায় শুয়ে থাকা লিটনকে লক্ষ করে গুলি চালায় মেহেদী। যা লিটন হাত দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলে মেহেদী ঘাবড়ে যায়। পরপর চোঁখ বন্ধ করে লিটনের বুক ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাথারি আরও চারটি গুলি ছুঁড়ে মেহেদী। লিটনকে হত্যায় ৭.৬৫ বোরের গুলি ভর্তি পিস্তুল ব্যবহার করে মেহেদী। হত্যা নিশ্চিতের পর ডায়াং ব্রাউন্সার রানার ১০০ সিসির কালো রংয়ের মোটরসাইকেলে চড়ে দ্রুত পালায় মেহেদী। ২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ঢাকায় গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করা হলে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় মেহেদী।

৩. শাহীন মিয়া ওরফে শান্ত :
স্থানীয়ভাবে ক্যাবল (ডিস) ব্যবসায়ী শাহীন (২৫) সুন্দরগঞ্জের বেকাটারি গ্রামের ওসমান গণির ছেলে। কাদের খাঁনের বাসার তত্বাবধায়ক হিসেবে পরিচিত শাহীন। হত্যা মিশনের পরিকল্পনায় শাহীন ও রানার দায়িত্ব ছিলো লিটনের সঙ্গে গল্প করার। সেই অনুযায়ী লিটনের ঘরে সোফায় বসে নিজের পরিচয় তুলে গল্প করছিলো শাহীন। গল্পের ফাঁকে মেহেদী গুলি চালানোর পর পরেই ঘর থেকে দৌঁড়ে বের হয়ে মোটরসাইকেল উঠে। এসময় আশপাশের লোকজন ছুঁটে এসে ধাওয়া করলে কাছে থাকা পিস্তুল উচিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ে শাহীন। কয়েক রাউ- গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় মাথায় থাকা কালো রংয়ের ক্যাপ পড়ে যায় শাহীনের। হত্যা মিশন বাস্তবায়নে চার কিলারের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকা শাহীন হত্যাকা-ে সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে শাহীন হত্যাকা-ে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা ও ব্যবহ্নত পিস্তুল নিজের কাছে থাকার কথা স্বীকার করে।

(৪). আবদুল হান্নান :
কাদের খাঁনের ব্যক্তিগত গাড়ি চালক আবদুল হান্নান (৩০) বগুড়ার শাহাজানপুরের কামারপুর গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। গাড়ি চালক হিসেবে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতায় এ হত্যাকা-ে হান্নানের ভূমিকা ছিলো অন্যতম। প্রধান কিলার মেহেদীকে মোটরসাইকেলে করে লিটনের বাড়ি উঠানে নামিয়ে হান্নান। এরপর মোটরসাইকেলের উপরের বসে অপেক্ষা করছিলো হান্নান। অপেক্ষোর সময় লিটনের বাড়ির সামনের গাব গাছের অদূরে খেলাধুলা করা কিছু শিশু-কিশোরদের বাড়ি যেতে বলে হান্নান। কিছুক্ষণ পরেই লিটনকে গুলি করে দৌড়ে আসে মোটরসাইকেলে বসে মেহেদী। এরপর মোটরসাইকেল স্টার্ড করে লিটনের বাড়ির পশ্চিম দিকের রাস্তা দিয়ে চলে যায় হান্নান।

(৫). আনোয়ারুল ইসলাম রানা :
আনোয়ারুল ইসলাম রানা (৩০) সুন্দরগঞ্জের ভেলারকাজির ভিটা গ্রামের মৃত্যু তমসের আলীর ছেলে। রানা এক সময় ঢাকায় গার্মেন্টে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বাড়িতে বেড়াতে আসলে দ-প্রাপ্ত আসামি শাহিন তাকে নানা প্রলোভনে দলে নেয়। এমপি লিটনকে হত্যার আগে ঘরে বসে তার সঙ্গে গল্প করেন রানা আর শাহীন। রানার কাছে কাদের খাঁনের লাইন্সেস করা পিস্তুল ছিলো। কিছুক্ষণ পরেই কিলার মেহেদী ঘরে ঢুকেই গুলি করতে থাকেন লিটনকে। গুলির শব্দ অনেকের কানেই পৌঁছেছিল তাই দ্রুত গতিতে বের হয়ে কোমর থেকে পিস্তুল বের করে ফাঁকা গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেল করে সটকে পড়েন রানা। হত্যা মিশন বাস্তবায়ন করে মোটরসাইকেলে আশপাশ এলাকা ঘুরে বেড়িয়ে কাদের খাঁনের বাড়িতে যান তারা। রাতেই তাদের কাদের খাঁন নিজের গাড়িতে করে বগুড়া ও পরে ঢাকা পাঠিয়ে দেন। ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী ঢাকা থেকে রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এমপি লিটনকে হত্যা মিশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়ার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় রানা।

(৬). এজেএম শামসুজ্জোহা সরকার ওরফে জোহা :
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের আবদুল জোব্বারের ছেলে শামছুজ্জোহা। ২০০৮ সালে কাদের খাঁন এমপি নির্বাচিত হলে ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ছিলো জোহা। এমপি লিটন হত্যাকা-ের ঘটনায় অন্যতম সহযোগি ছিলেন তিনি। জোহাকে নলডাঙ্গায় রড-সিমেন্টের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও একটি গোডাউন ভাড়া করে দেন কাদের খাঁন। ওই গোডাউনে হত্যায় ব্যবহ্নত অস্ত্রগুলো রাখা, প্রশিক্ষণ ও বৈঠক হতো। জোহার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেই ঘটনাস্থলে যায় চার কিলার ও সমন্বয়কারী চন্দন কুমার। হত্যাকা- সম্পন্নের খবর মোবাইল ফোনে কাদের খাঁনকে জানানোর চেষ্টা করেও তাকে পাননি। পরদিন বগুড়ায় গিয়ে গোটা পরিস্থিতি কাদের খাঁনকে অবগত করেন জোহা। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ নলডাঙ্গার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অস্ত্র রাখার একটি ট্রাংক উদ্ধারসহ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হত্যাকা- সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় জোহা।

(৭). চন্দন কুমার সরকার :
চন্দন কুমার সরকার এমপি লিটন হত্যার প্রধান সমন্নয়কারী ছিলেন। সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার পূর্ব মনমথ গ্রামের সুশিল কুমার সরকারের ছেলে চন্দন কুমার লিটন হত্যা মিশন বাস্তবায়নে চন্দন কুমার আগে থেকেই লিটনের বাড়িতে তার অবস্থান, বাড়ি ও বাড়ির লোকজন কে কোথায় আছেন এই খবর মোবাইল ফোনে খুনিদের জানাতেন। চন্দনের দেয়া তথ্যর ভিভিত্তেই ‘কিলিং মিশন’ সম্পন্ন করে কিলাররা। এছাড়া লিটনকে হত্যার আগে ও পরে সব ঘটনা তাৎক্ষণিক জানাতে কাদের খাঁনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো চন্দনের। হত্যাকা-ে চন্দনের পরোক্ষ সহযোগিতা এবং জড়িতের বিষয়টি প্রধান আসামি কাদের খাঁনের ১০ দিনের রিমা- ও আদালতে দেয়া জবানবন্দিতেও উঠে আসে। তবে হত্যা ঘটনার পর থেকেই চন্দন কুমার পালিয়ে ভারতে যান।

হত্যার মূল পরিকল্পকারী কে এই কাদের খাঁন :
আবদুল কাদের খাঁন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি (খাঁপাড়া) গ্রামের মৃত্যু নয়ান খাঁর ছেলে। পেশায় সেনাবাহিনীতে একজন চিকিৎসক ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে কর্ণেল হয়ে অবসরে যাওয়ার পর বগুড়া শহরের জিলাদারপাড়া গরীব উল্লাহ শাহ্ নামে একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন। স্ত্রী এ জেড ইউ নাসিমা বেগমও পেশায় চিকিৎসক। ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হন কাদের খাঁন।

২০১৮ সালের গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে (জাপা এরশাদ) মনোনীত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন কাদের খাঁন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ওই আসনে এমপি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়েই কাদের খাঁনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ দেন দুদকে। এরপর থেকেই শুরু দ্বন্দ-কোন্দলের।

প্রসঙ্গত : ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলী বুলবুলের দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আবদুল কাদের খাঁনসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দেয় পুলিশ।

নৃশংস এই হত্যাকা-ে ব্যবহ্নত তিনটি অস্ত্রের মধ্যে একটি নিজে থানায় জমা দেন কাদের খাঁন। অপর একটি অস্ত্র তার বাড়ি উঠানে মাটির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে অপর অস্ত্রটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই হত্যাকা-ের ঘটনায় অস্ত্র, মোটরসাইকেল, ট্রাংক, ক্যাপ, ল্যাপটপ, মোবাইল, গাড়ির টিকেটসহ ২৩ ধরণের উপকরণ জব্দ করা হয়।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

জিল্লুর রহমান পলাশ, গাইবান্ধা :

প্রায় তিন বছর আগে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। দ-প্রাপ্ত আসামি চন্দন কুমার পলাতক (ভারত) রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত আসামি কসাই সুবল কারাগারে অসুস্থ্যর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

বহুল আলোচিত এই মামলায় বিচার কার্যক্রম শুরুর দেড় বছরের মাথায় বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে রায় ঘোষণা করেন গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক। নৃশংস এই হত্যাকা-ের ঘটনায় অস্ত্র আইনে করা অপর মামলায় রায় হয়েছে গত ১১ জুন। রায়ে একমাত্র আসামি সাবেক এমপি (অব:) কর্ণেল আবদুল কাদের খাঁনকে যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দেয় আদালত।

ফাঁসির দ-প্রাপ্ত সাত আসামির বিরুদ্ধে যেসব ভূমিকা ও দায় ছিলো তা সাক্ষী, তথ্য-প্রমাণ এবং প্রত্যেকের জবানবন্দি পর্যালোচনা করেই দ-বিধির ১২০-বি এবং ৩০২/৩৪ ধারায় দ-নীয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তক্রমে রায় দিয়েছেন আদালত। ঠা-া মাথায় পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, রেকি করা, সহযোগিতা ও বাস্তবায়ন পর্যন্ত দ-প্রাপ্ত আসামিরা পরস্পর সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে এই হত্যাকা- সংঘঠিত হয়েছে বলে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্র ও আদালতে বিচার কার্যক্রম অনুসারে দ-প্রাপ্ত ৭ জনের কার কি ভূমিকা, অভিযোগের ধরণ-দায় ও পরিচয় উল্লেখ করা হলো ;

১. কর্ণেল (অব:) আবদুল কাদের খঁন :
এমপি লিটন হত্যকা-ের মূল পরিকল্পনাকারী আবদুল কাদের খাঁন। রাজনৈতিক কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার ও এমপি হওয়া এবং উচ্চভিলাষ ক্ষমতার মোহেই লিটনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন কাদের খাঁন। হত্যাকা-ে অংশ নেয়া কিলারদের অর্থ সহায়তা ও নানা প্রলোভন দেখান তিনি। কিলারদের এক বছর ধরে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ঠা-া মাথায় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারীতে লিটনকে হত্যার পরিকল্পনা তৈরী করেন তিনি। ঢাকা থেকে গাইবান্ধা আসার পথে গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে লিটনকে হত্যা এবং বামনডাঙ্গার দলীয় অফিসের টয়লেটে গেলে গুলি করাসহ তিনটি পরিকল্পনা করলেও নিজেদের মতানৈক্য না হওয়ায় তা ভেস্তে যায়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের শুরুতে নিজ বাড়িতেই গুলি করে হত্যার নতুন ছক কষেন কাদের খাঁন। শুধু এমপি লিটন নয়, নিজ এলাকার প্রতিদ্বন্দি সরিয়ে দিতে আরও স্থানীয় কয়েকজনকে হত্যার জন্য টার্গেট করা হয়। টার্গেটের এক নম্বরেই ছিলেন এমপি লিটন।

আলোচিত এই হত্যাকা-ের ৫২ দিনের মাথায় বগুড়া বাসায় পাঁচদিন নজরদারীতে রাখার পর ২১ ফেব্রুয়ারী তাকে গ্রেফতার পরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। পরে ১০ দিনের রিমা- শেষ হওয়ার আগেই আদালতে হত্যার দায় ও সব পরিকল্পনা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় কাদের খাঁন।

২. রাশেদুল ইসলাম ওরফে মেহেদী হাসান :
মেহেদী হাসান (২৬) সুন্দরগঞ্জের উত্তর সমস কবিরাজপাড়ার আবদুল করিমের ছেলে। মেহেদি হাসান প্রধান আসামি আবদুল কাদের খাঁনের সম্পর্কে ভাতিজা। হত্যা মিশনে অংশ নেয়া প্রশিক্ষিত চার কিলারের মধ্যে মেহেদি প্রধান ছিলো। সিন্ধান্ত ও পরিকল্পনা অনুযায়ী এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যা নিশ্চিতের দায়িত্ব ছিলো মেহেদীর। হত্যা বাস্তবায়নে দুটি মোটরসাইকেলে করে লিটনের বাড়ি পৌঁছায় মেহেদী, শাহীন, রানা ও হান্নান। শাহীন ও রানা বাড়ির উঠানের ’লিটনের বেঠকখানা’ গিয়ে পরিচয় দিয়ে কথা বলতে থাকেন। এসময় মেহেদি বৈঠক খানার দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাদের দুইজনের কথা বলার সময় ঘরে ঢুকেই ছালাম দিয়ে বিছানায় শুয়ে থাকা লিটনকে লক্ষ করে গুলি চালায় মেহেদী। যা লিটন হাত দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলে মেহেদী ঘাবড়ে যায়। পরপর চোঁখ বন্ধ করে লিটনের বুক ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাথারি আরও চারটি গুলি ছুঁড়ে মেহেদী। লিটনকে হত্যায় ৭.৬৫ বোরের গুলি ভর্তি পিস্তুল ব্যবহার করে মেহেদী। হত্যা নিশ্চিতের পর ডায়াং ব্রাউন্সার রানার ১০০ সিসির কালো রংয়ের মোটরসাইকেলে চড়ে দ্রুত পালায় মেহেদী। ২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ঢাকায় গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করা হলে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় মেহেদী।

৩. শাহীন মিয়া ওরফে শান্ত :
স্থানীয়ভাবে ক্যাবল (ডিস) ব্যবসায়ী শাহীন (২৫) সুন্দরগঞ্জের বেকাটারি গ্রামের ওসমান গণির ছেলে। কাদের খাঁনের বাসার তত্বাবধায়ক হিসেবে পরিচিত শাহীন। হত্যা মিশনের পরিকল্পনায় শাহীন ও রানার দায়িত্ব ছিলো লিটনের সঙ্গে গল্প করার। সেই অনুযায়ী লিটনের ঘরে সোফায় বসে নিজের পরিচয় তুলে গল্প করছিলো শাহীন। গল্পের ফাঁকে মেহেদী গুলি চালানোর পর পরেই ঘর থেকে দৌঁড়ে বের হয়ে মোটরসাইকেল উঠে। এসময় আশপাশের লোকজন ছুঁটে এসে ধাওয়া করলে কাছে থাকা পিস্তুল উচিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ে শাহীন। কয়েক রাউ- গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় মাথায় থাকা কালো রংয়ের ক্যাপ পড়ে যায় শাহীনের। হত্যা মিশন বাস্তবায়নে চার কিলারের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকা শাহীন হত্যাকা-ে সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে শাহীন হত্যাকা-ে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা ও ব্যবহ্নত পিস্তুল নিজের কাছে থাকার কথা স্বীকার করে।

(৪). আবদুল হান্নান :
কাদের খাঁনের ব্যক্তিগত গাড়ি চালক আবদুল হান্নান (৩০) বগুড়ার শাহাজানপুরের কামারপুর গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। গাড়ি চালক হিসেবে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতায় এ হত্যাকা-ে হান্নানের ভূমিকা ছিলো অন্যতম। প্রধান কিলার মেহেদীকে মোটরসাইকেলে করে লিটনের বাড়ি উঠানে নামিয়ে হান্নান। এরপর মোটরসাইকেলের উপরের বসে অপেক্ষা করছিলো হান্নান। অপেক্ষোর সময় লিটনের বাড়ির সামনের গাব গাছের অদূরে খেলাধুলা করা কিছু শিশু-কিশোরদের বাড়ি যেতে বলে হান্নান। কিছুক্ষণ পরেই লিটনকে গুলি করে দৌড়ে আসে মোটরসাইকেলে বসে মেহেদী। এরপর মোটরসাইকেল স্টার্ড করে লিটনের বাড়ির পশ্চিম দিকের রাস্তা দিয়ে চলে যায় হান্নান।

(৫). আনোয়ারুল ইসলাম রানা :
আনোয়ারুল ইসলাম রানা (৩০) সুন্দরগঞ্জের ভেলারকাজির ভিটা গ্রামের মৃত্যু তমসের আলীর ছেলে। রানা এক সময় ঢাকায় গার্মেন্টে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বাড়িতে বেড়াতে আসলে দ-প্রাপ্ত আসামি শাহিন তাকে নানা প্রলোভনে দলে নেয়। এমপি লিটনকে হত্যার আগে ঘরে বসে তার সঙ্গে গল্প করেন রানা আর শাহীন। রানার কাছে কাদের খাঁনের লাইন্সেস করা পিস্তুল ছিলো। কিছুক্ষণ পরেই কিলার মেহেদী ঘরে ঢুকেই গুলি করতে থাকেন লিটনকে। গুলির শব্দ অনেকের কানেই পৌঁছেছিল তাই দ্রুত গতিতে বের হয়ে কোমর থেকে পিস্তুল বের করে ফাঁকা গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেল করে সটকে পড়েন রানা। হত্যা মিশন বাস্তবায়ন করে মোটরসাইকেলে আশপাশ এলাকা ঘুরে বেড়িয়ে কাদের খাঁনের বাড়িতে যান তারা। রাতেই তাদের কাদের খাঁন নিজের গাড়িতে করে বগুড়া ও পরে ঢাকা পাঠিয়ে দেন। ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী ঢাকা থেকে রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এমপি লিটনকে হত্যা মিশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়ার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় রানা।

(৬). এজেএম শামসুজ্জোহা সরকার ওরফে জোহা :
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের আবদুল জোব্বারের ছেলে শামছুজ্জোহা। ২০০৮ সালে কাদের খাঁন এমপি নির্বাচিত হলে ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ছিলো জোহা। এমপি লিটন হত্যাকা-ের ঘটনায় অন্যতম সহযোগি ছিলেন তিনি। জোহাকে নলডাঙ্গায় রড-সিমেন্টের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও একটি গোডাউন ভাড়া করে দেন কাদের খাঁন। ওই গোডাউনে হত্যায় ব্যবহ্নত অস্ত্রগুলো রাখা, প্রশিক্ষণ ও বৈঠক হতো। জোহার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেই ঘটনাস্থলে যায় চার কিলার ও সমন্বয়কারী চন্দন কুমার। হত্যাকা- সম্পন্নের খবর মোবাইল ফোনে কাদের খাঁনকে জানানোর চেষ্টা করেও তাকে পাননি। পরদিন বগুড়ায় গিয়ে গোটা পরিস্থিতি কাদের খাঁনকে অবগত করেন জোহা। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ নলডাঙ্গার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অস্ত্র রাখার একটি ট্রাংক উদ্ধারসহ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হত্যাকা- সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় জোহা।

(৭). চন্দন কুমার সরকার :
চন্দন কুমার সরকার এমপি লিটন হত্যার প্রধান সমন্নয়কারী ছিলেন। সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার পূর্ব মনমথ গ্রামের সুশিল কুমার সরকারের ছেলে চন্দন কুমার লিটন হত্যা মিশন বাস্তবায়নে চন্দন কুমার আগে থেকেই লিটনের বাড়িতে তার অবস্থান, বাড়ি ও বাড়ির লোকজন কে কোথায় আছেন এই খবর মোবাইল ফোনে খুনিদের জানাতেন। চন্দনের দেয়া তথ্যর ভিভিত্তেই ‘কিলিং মিশন’ সম্পন্ন করে কিলাররা। এছাড়া লিটনকে হত্যার আগে ও পরে সব ঘটনা তাৎক্ষণিক জানাতে কাদের খাঁনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো চন্দনের। হত্যাকা-ে চন্দনের পরোক্ষ সহযোগিতা এবং জড়িতের বিষয়টি প্রধান আসামি কাদের খাঁনের ১০ দিনের রিমা- ও আদালতে দেয়া জবানবন্দিতেও উঠে আসে। তবে হত্যা ঘটনার পর থেকেই চন্দন কুমার পালিয়ে ভারতে যান।

হত্যার মূল পরিকল্পকারী কে এই কাদের খাঁন :
আবদুল কাদের খাঁন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি (খাঁপাড়া) গ্রামের মৃত্যু নয়ান খাঁর ছেলে। পেশায় সেনাবাহিনীতে একজন চিকিৎসক ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে কর্ণেল হয়ে অবসরে যাওয়ার পর বগুড়া শহরের জিলাদারপাড়া গরীব উল্লাহ শাহ্ নামে একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন। স্ত্রী এ জেড ইউ নাসিমা বেগমও পেশায় চিকিৎসক। ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হন কাদের খাঁন।

২০১৮ সালের গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে (জাপা এরশাদ) মনোনীত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন কাদের খাঁন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ওই আসনে এমপি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়েই কাদের খাঁনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ দেন দুদকে। এরপর থেকেই শুরু দ্বন্দ-কোন্দলের।

প্রসঙ্গত : ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলী বুলবুলের দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আবদুল কাদের খাঁনসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দেয় পুলিশ।

নৃশংস এই হত্যাকা-ে ব্যবহ্নত তিনটি অস্ত্রের মধ্যে একটি নিজে থানায় জমা দেন কাদের খাঁন। অপর একটি অস্ত্র তার বাড়ি উঠানে মাটির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে অপর অস্ত্রটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই হত্যাকা-ের ঘটনায় অস্ত্র, মোটরসাইকেল, ট্রাংক, ক্যাপ, ল্যাপটপ, মোবাইল, গাড়ির টিকেটসহ ২৩ ধরণের উপকরণ জব্দ করা হয়।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2019 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com