জনপদ গ্রামীণ জনপদ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যাবসা-বানিজ্য-অর্থনীতি আমাদের প্রসঙ্গে

,

,

প্রচ্ছদ
Gaibandha.news image: 'কোচাশহরে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় মৃৎশিল্পীদের ভাগ্যের পরিবর্তন'-'

কোচাশহরে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় মৃৎশিল্পীদের ভাগ্যের পরিবর্তন

গাইবান্ধা ডট নিউজ | শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯

মনজুর হাবীব মনজু, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা):

প্রায় হারিয়ে যাওয়া পেশা মাটির পাতিল গড়ার কারিগররা বিদ্যুচ্চালিত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৃৎশিল্পের উৎপাদন বাড়িয়েছেন কয়েক গুণ। মানসম্পন্ন মাটির সামগ্রী করে ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় আবার উন্নত জীবনের পথে এগিয়ে চলেছেন তাঁরা। আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে সহজ ও কম খরচে তৈরি রান্না ও গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় তৈজসপত্রের দাপটে মাটির দিয়ে তৈরি তৈজসপত্রের বাজার হারিয়ে কয়েক বছর আগেই চরম দারিদ্র্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহরের পাল সম্প্রদায়ের মৃৎশিল্পীরা। এ সময় পৈত্রিক পেশা ছেড়ে ভ্যান-রিক্সা চালনাসহ বিভিন্ন প্রকার শ্রমিকের পেশায় ঝুঁকে পড়েছিলেন তাঁরা অনন্যোপায় হয়ে। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুৎনির্ভর সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই মাটি দিয়ে তৈজসপত্রসহ নানা গৃহস্থালি ও ঘরের শোভাবর্ধক সামগ্রী তৈরি করে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। ভ্যান-রিক্সা চালনাসহ বিভিন্ন প্রকার শ্রমিকের পেশা থেকে আবার তাঁদের প্রাচীন ও পৈত্রিক পেশায় ফিরে আসছেন তাঁরা। নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশুসহ সহস্রাধিক মানুষের এ কুমারপল্লী আবার সেজে উঠছে নতুন সাজে। বর্তমান সময়ের প্রয়োজনে বড় আকারের হাঁড়ি-পাতিল তৈরি না করে তাঁরা এখন ফুলের টব, দইয়ের হাঁড়ি ও কাপ, খেলার পুতুলসহ বিভিন্ন প্রকার ছোট ছোট সামগ্রী তৈরি করেই তুলনামূলকভাবে বেশি টাকা আয় করছেন।

স্থানীয়রা জানান, গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত কোচাশহর বাজারটির পত্তন হয়েছিল এখানকার কুমারপল্লীকে ঘিরেই। কালের বিবর্তনে ছোট্ট এ বাজারটি এখন বেশ বড় ব্যবসাকেন্দ্রে পরিণত হলেও পাল সম্প্রদায়ের বাজার হারানো মৃৎশিল্পীরা অভাবের তাড়নায় তাঁদের সড়ক সংলগ্ন ভিটেমাটি বিক্রি করে দিয়ে পিছনে চলে যেতে বাধ্য হন। অনেকে পেশা বদল করে হোটেল শ্রমিক, রিক্সা-ভ্যান চালনা ও দিনমজুরের কাজ করতে শুরু করেন। কিন্তু কয়েক বছর যেতেই পরিবর্তনের হাওয়া লাগে এ পল্লীতে। একেবারেই ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাওয়া মাটির পাত্র আবার ফিরে আসতে শুরু করে মানুষের ঘরে। বড় আকারের হাঁড়ি-পাতিল না হলেও ছোট ছোট ফুলের টব, দইয়ের হাঁড়ি ও কাপ, ল্যাট্রিনের কাজে ব্যবহৃত কুপের রিং আর খেলনা সামগ্রীর চাহিদা বাড়তে থাকে নতুন করে। এ সময় কুমারপল্লীর যুবকরা হাঁড়ি-পাতিল তৈরির জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র আটপৌড়ে হাতে ঘোরানো ‘চাক’ এর বদলে শুরু করেন বৈদ্যুতিক মোটর লাগানো ‘চাক’ এর ব্যবহার। বিদ্যুচ্চালিত ‘চাক’ এর চাকায় বদলে যায় কোচাশহরের পালপাড়ার কুমার সম্প্রদায়ের ভাগ্য। তাদের সন্তানরা এখন নিয়মিত স্কুলে যায়। খড়ের ঘরের বদলে এখন সেখানে শোভা পাচ্ছে অনেক পাকা বাড়ি।

এক সময় মহিমাগঞ্জ ও কোচাশহর বাজারে হোটেল শ্রমিক হিসেবে কাজ করা পালপাড়ার যুবক সুকোমল পাল এখন নিজের তৈরি মৃৎসামগ্রী ছাড়াও অন্যদের কাছ থেকে পাইকারী দরে খেলনা, ফুলের টব ও কুয়ার রিং কিনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। বর্তমানে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল সুকোমল জানালেন, এখন আর তাদের পাড়ার কাউকে না খেয়ে থাকতে হয় না। আগে হাতে ঘোরানো ‘চাক’ ব্যবহার করে দিনে যা উৎপাদন করা হতো, বৈদ্যুতিক মোটর লাগানো ‘চাক’ এর ব্যবহার তা তিন থেকে পাঁচ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া পরিশ্রমও অনেক কম হচ্ছে। বর্তমানে এ উপজেলা ছাড়াও গাইবান্ধা জেলা এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে কোচাশহরের মাটির সামগ্রী কিনে নিয়ে যান। তবে সরকারি সহায়তা পেলে তাঁরা আরও অনেক এগিয়ে যেতে পারবেন।

কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন জানালেন, শীতবস্ত্র তৈরির জন্য বিখ্যাত কোচাশহরের পাল সম্প্রদায় তাদের হারানো পেশায় উন্নত জীবনযাপন করার পাশাপাশি কোচাশহরকে আবার নতুন করে পরিচিতি এনে দিচ্ছেন। প্রায় সহ¯্রাধিক মানুষের এ পাড়ায় এখন প্রতিদিন অনেক টাকার মৃৎসামগ্রী বিক্রি হয়। সরকারি সাহায্য বা সহজ শর্তের ঋণ পেলে তাঁরা আরও উন্নতি করতে পারবেন এ পেশায়।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও প্রতিবেদন

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news image: 'হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা'-'

হলি আর্টিজান হামলার রায় আজ, আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা

গাইবান্ধা ডট নিউজ | বুধবার ২৭ নভেম্বর ২০১৯

মনজুর হাবীব মনজু, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা):

প্রায় হারিয়ে যাওয়া পেশা মাটির পাতিল গড়ার কারিগররা বিদ্যুচ্চালিত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৃৎশিল্পের উৎপাদন বাড়িয়েছেন কয়েক গুণ। মানসম্পন্ন মাটির সামগ্রী করে ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় আবার উন্নত জীবনের পথে এগিয়ে চলেছেন তাঁরা। আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে সহজ ও কম খরচে তৈরি রান্না ও গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় তৈজসপত্রের দাপটে মাটির দিয়ে তৈরি তৈজসপত্রের বাজার হারিয়ে কয়েক বছর আগেই চরম দারিদ্র্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহরের পাল সম্প্রদায়ের মৃৎশিল্পীরা। এ সময় পৈত্রিক পেশা ছেড়ে ভ্যান-রিক্সা চালনাসহ বিভিন্ন প্রকার শ্রমিকের পেশায় ঝুঁকে পড়েছিলেন তাঁরা অনন্যোপায় হয়ে। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুৎনির্ভর সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই মাটি দিয়ে তৈজসপত্রসহ নানা গৃহস্থালি ও ঘরের শোভাবর্ধক সামগ্রী তৈরি করে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। ভ্যান-রিক্সা চালনাসহ বিভিন্ন প্রকার শ্রমিকের পেশা থেকে আবার তাঁদের প্রাচীন ও পৈত্রিক পেশায় ফিরে আসছেন তাঁরা। নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশুসহ সহস্রাধিক মানুষের এ কুমারপল্লী আবার সেজে উঠছে নতুন সাজে। বর্তমান সময়ের প্রয়োজনে বড় আকারের হাঁড়ি-পাতিল তৈরি না করে তাঁরা এখন ফুলের টব, দইয়ের হাঁড়ি ও কাপ, খেলার পুতুলসহ বিভিন্ন প্রকার ছোট ছোট সামগ্রী তৈরি করেই তুলনামূলকভাবে বেশি টাকা আয় করছেন।

স্থানীয়রা জানান, গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত কোচাশহর বাজারটির পত্তন হয়েছিল এখানকার কুমারপল্লীকে ঘিরেই। কালের বিবর্তনে ছোট্ট এ বাজারটি এখন বেশ বড় ব্যবসাকেন্দ্রে পরিণত হলেও পাল সম্প্রদায়ের বাজার হারানো মৃৎশিল্পীরা অভাবের তাড়নায় তাঁদের সড়ক সংলগ্ন ভিটেমাটি বিক্রি করে দিয়ে পিছনে চলে যেতে বাধ্য হন। অনেকে পেশা বদল করে হোটেল শ্রমিক, রিক্সা-ভ্যান চালনা ও দিনমজুরের কাজ করতে শুরু করেন। কিন্তু কয়েক বছর যেতেই পরিবর্তনের হাওয়া লাগে এ পল্লীতে। একেবারেই ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাওয়া মাটির পাত্র আবার ফিরে আসতে শুরু করে মানুষের ঘরে। বড় আকারের হাঁড়ি-পাতিল না হলেও ছোট ছোট ফুলের টব, দইয়ের হাঁড়ি ও কাপ, ল্যাট্রিনের কাজে ব্যবহৃত কুপের রিং আর খেলনা সামগ্রীর চাহিদা বাড়তে থাকে নতুন করে। এ সময় কুমারপল্লীর যুবকরা হাঁড়ি-পাতিল তৈরির জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র আটপৌড়ে হাতে ঘোরানো ‘চাক’ এর বদলে শুরু করেন বৈদ্যুতিক মোটর লাগানো ‘চাক’ এর ব্যবহার। বিদ্যুচ্চালিত ‘চাক’ এর চাকায় বদলে যায় কোচাশহরের পালপাড়ার কুমার সম্প্রদায়ের ভাগ্য। তাদের সন্তানরা এখন নিয়মিত স্কুলে যায়। খড়ের ঘরের বদলে এখন সেখানে শোভা পাচ্ছে অনেক পাকা বাড়ি।

এক সময় মহিমাগঞ্জ ও কোচাশহর বাজারে হোটেল শ্রমিক হিসেবে কাজ করা পালপাড়ার যুবক সুকোমল পাল এখন নিজের তৈরি মৃৎসামগ্রী ছাড়াও অন্যদের কাছ থেকে পাইকারী দরে খেলনা, ফুলের টব ও কুয়ার রিং কিনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। বর্তমানে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল সুকোমল জানালেন, এখন আর তাদের পাড়ার কাউকে না খেয়ে থাকতে হয় না। আগে হাতে ঘোরানো ‘চাক’ ব্যবহার করে দিনে যা উৎপাদন করা হতো, বৈদ্যুতিক মোটর লাগানো ‘চাক’ এর ব্যবহার তা তিন থেকে পাঁচ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া পরিশ্রমও অনেক কম হচ্ছে। বর্তমানে এ উপজেলা ছাড়াও গাইবান্ধা জেলা এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে কোচাশহরের মাটির সামগ্রী কিনে নিয়ে যান। তবে সরকারি সহায়তা পেলে তাঁরা আরও অনেক এগিয়ে যেতে পারবেন।

কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন জানালেন, শীতবস্ত্র তৈরির জন্য বিখ্যাত কোচাশহরের পাল সম্প্রদায় তাদের হারানো পেশায় উন্নত জীবনযাপন করার পাশাপাশি কোচাশহরকে আবার নতুন করে পরিচিতি এনে দিচ্ছেন। প্রায় সহ¯্রাধিক মানুষের এ পাড়ায় এখন প্রতিদিন অনেক টাকার মৃৎসামগ্রী বিক্রি হয়। সরকারি সাহায্য বা সহজ শর্তের ঋণ পেলে তাঁরা আরও উন্নতি করতে পারবেন এ পেশায়।

 

কেআরআর/জিএআই



Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ছবি সংবাদ

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ফটো ফিচার

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

বিভাগ ভিডিও রিপোর্ট

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

সর্বশেষ খবর

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image

Gaibandha.news Ad. image


Gaibandha.news Ad. image

গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধ

মতামত-বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

কৃষি-বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা

সাজসজ্জা

রান্নাবান্না

ভ্রমণ-বিনোদন

চারু-কারুকলা

শিশুকিশোর

ইভেন্ট ফটো গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট ভিডিও গ্যালারী

Gaibandha.news Ad. image

আর্কাইভ

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Gaibandha.news Ad. image

ইভেন্ট বোর্ড

খোঁজখবর - চাকুরি বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - টেন্ডার বিঞ্জপ্তি

Gaibandha.news Ad. image

খোঁজখবর - বেচাকেনা

জরীপ/ভোটাভুটি (হাঁ/না)

Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Gaibandha.news Ad. image
Activities

© 2019 Gaibandha.News. All rights reserved. Inspired by w3schools.com

Crafted with by arccSoftTech & Powered with CSR by arccY2K.com a Subsidiary of BangladeshICT.com